রাজনীতিসামাজিক মাধ্যম

মামুনুল হক একজন ধর্ম ব্যবসায়ী:স্পেন ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি

কোরআনের ভয় দেখিয়ে যারা ধর্ষণ/বলাৎকার করতে পারে তাদের হাতে আর যাই হউক ইসলাম নিরাপদ নয়।

ভাস্কর্য ভেঙে ফেললেই ধর্ম রক্ষা হবে কী? ধর্ষণ-পরনিন্দা-পরচর্চাসহ যত অজাচার-অনাচার সমাজ ও রাষ্ট্রে রয়েছে, এর বিরুদ্ধে কখনও এমন আন্দোলন দেখা যাবে না৷ কারণ সেগুলোর বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলা সহজ নয়, অথচ এই বিষয়গুলোই মানুষকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে৷

গত কয়েক মাস ধরে যখন প্রথম সারির গন মাধ্যমে শিশু নির্যাতন,ধর্ষণ এবং বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক এবং বিভিন্ন ভন্ড আলেম গ্রেফতারের খবর ঠিক তখনই এই মামুনুল হক ধর্ম কে পুঁজি করে এসব অপকর্ম ঠাকতে ভাষ্কর্ষের অপ-ব্যাখা দিয়ে মুসলমানদের মনে ভাষ্কর্য বিরোধী একটি মনভাব তৈরির চেষ্টা করে।

মুসলমানরা সবসময় ধর্মের প্রতি দূর্বল,আর মামুনুলরা বিভিন্ন সময় এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন মাহফিলের মাঠ গরম করে।

জিয়াউর রহমানের ভাষ্কর্য কিন্তু এই বাংলার মাটিতে এখনো আছে,কই মামুনুল হক তো সেই ভাষ্কর্যের উপর আঘাত হানলেন না? তবে কি জিয়া পরিবারের সাথে সখ্যতা আছে বলেই জিয়ার ভাষ্কর্যকে এড়িয়ে গেলেন?

প্রায় সব মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই কিন্তু ভাস্কর্য রয়েছে এবং সেগুলোকে শিল্প-সংস্কৃতি-ইতিহাসের অংশ হিসেবেই সেসব দেশে সমাদরের সঙ্গেই দেখা হয়৷

এই মামুনুল হক কে দেখা যায় কখনো বঙ্গবন্ধু কখনো শেখ হাসিনা কখনো সৈয়দ আশরাফের বিরুদ্ধে কথা বলে ও গনভবন,সংসদ ভবন এবং বঙ্গভবনে হামলার কথা বলেছেন তিনি।লাশের পর লাশ ফেলার ও হুমকি দেন ৫ই মে মতিঝিলের হেফাজতের সমাবেশে! ইসলাম কি জুলুম নির্যাতন হত্যাতে বিশ্বাসী?তবে কেন এই হুংকার? কোন উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এসব?

মাহফিলে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ধর্মের অপব্যাখা করে মাহফিল গরম করতে দেখা যায় এই মামুনুল হক কে।কখনো বলাৎকারের বিরুদ্ধে বা শিশু নির্যাতনের বিপক্ষে কোন মন্তব্য দেখা যায় নি।

আমার মতে ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হক কে সর্ব শ্রেণীর মানুষের বয়কট করা উচিত।

আরো দেখুন

Leave a Reply

সম্পর্কিত খবর

Back to top button
%d bloggers like this: